Header Ads Widget

করোনাভাইরাস ভাইরাস কি | করোনাভাইরাস এর লক্ষণ | what is coronavirus | coronavirus symptoms |

করোনাভাইরাস ভাইরাস কি | করোনাভাইরাস এর লক্ষণ | what is coronavirus | coronavirus symptoms |
5 ই ফেব্রুয়ারি 2020 তারিখের অনুসারে ধরলে করোনাভাইরাস এর দ্বারা ২৪৫৭৯ বেশি লোক আক্রান্ত এবং ৪৯৪ লোক এর মৃত্যু ঘটেছে।

করোনাভাইরাস কি/ what is coronavirus ?

প্রথমত করোনাভাইরাস কোন একটি নির্দিষ্ট ভাইরাসের নাম না এটি অনেকগুলি ভাইরাস নিয়ে গঠিত একটি পরিবার। একটি উদাহরণ যেমন, প্রায় মানুষেরই সর্দি-কাশি হয়ে থাকে এইগুলো এক ধরনের করোনাভাইরাস। 2003 সালে SARS-CoV নামে এক ধরনের ভাইরাস বেরিয়েছিল ওটিও এক ধরনের করোনা ভাইরাস। এখন বর্তমানে যে ভাইরাসে সব্বাই আক্রান্ত হচ্ছে এটিও নতুন একটি করোনাভাইরাস। 2019 সালে 31 শে ডিসেম্বর চায়নার উহান নামক একটি জায়গাতে এটির প্রথম আবির্ভাব ঘটেছিল। এই ভাইরাসটি এতই নতুন যে এর কোন নাম নেই, সেই জন্য এর নাম রাখা হয়েছে 2019-nCoV ।

করোনাভাইরাস এর উৎস/how Coronavirus came :

বেশিরভাগ ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হয় কোন জীবজন্তু থেকে যা মানুষকে সংক্রমিত করে। পরবর্তীতে মানুষের সাথে মানুষের যোগাযোগে আশায় সেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে যেমন, SARS-CoV ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল ছিল একটি বাদুড় ও MERS ভাইরাসটি 2012-13 সালের দিকে মিডিলিস্ট ছড়িয়ে পড়েছিল এটির উৎপত্তিস্থল ছিল একটি উট।এখন বর্তমানে যে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তার উৎপত্তিস্থল কেউ সঠিকভাবে জানে না। কিছু বিজ্ঞানীরা মনে করেন এই ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল সাপ হতে পারে। আবার কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন এই ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল বাদুড় কারণ বর্তমানে ছড়িয়ে-পড়া করোনাভাইরাসের সাথে বাদুড়ের সাহায্যের ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস এর 96 শতাংশ মিল রয়েছে।

করোনাভাইরাস এর লক্ষণ/symptoms of coronavirus :

সমস্ত করোনাভাইরাস এর লক্ষণ একই প্রায় যেমন সর্দি, কাশি, জ্বর, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা। এইজন্য একটু অসুবিধা হয় কারণ, সাধারন সর্দি, কাশি, জ্বর এবং করোনাভাইরাস দ্বারা ঘটিত সর্দি, কাশি, জ্বর এর মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করা একটু কঠিন। কিন্তু যখন কেউ করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় তার নিউমোনিয়া হয়। ডাক্তারদের কাছেপরীক্ষা করার পর বোঝা যায় তার সাধারণ সর্দি কাশি হয়েছে না করোনাভাইরাস দ্বারা ঘটিত সর্দি কাশি হয়েছে।

করোনাভাইরাস কতটা ক্ষতিকারক/How dangerous is Coronavirus :

এই ভাইরাস এতটাই ভয়ানক বা ক্ষতিকারক যে এর দ্বারা ৪৯৪ জন লোক এর মৃত্যু ঘটেছে এবং ২৪৫৭৯ জন এই ভাইরাসের শিকার হয়েছে। আবার এই ভাইরাসের শিকার হওয়া লোকের মধ্যে ৯৫৬ জন লোক সঠিকভাবে সেরা উঠেছে। এই ভাইরাস দ্বারা মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ২% এবং এই ভাইরাস থেকে সঠিকভাবে সেরে ওঠার সম্ভাবনা ৯৮% । ডাক্তারদের মতে এখনো পর্যন্ত কতজন মারা গিয়েছে তাদের ইমিউন সিস্টেম আগে থেকেই দুর্বল ছিল কোন কারনে। মৃতদের মধ্যে বৃদ্ধ ছিল বেশি।

কিভাবে এই ভাইরাস ছড়ায়/ how Coronavirus spread :

এই করোনাভাইরাস সরাই সাধারণত মানুষের দ্বারা। সর্দি-কাশি যেভাবে সাধারণ মানুষের ছড়ায় এই করোনাভাইরাস ঠিক ওইভাবেই ছড়াই। এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বলেছে নিজের হাত সবসময় পরিষ্কার রাখতে, সঠিক সময়ে ধুয়ে ফেলতে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বলেছে, মুখে মাক্স পরার পর কেউ যদি মনে করে, সে করোনা ভাইরাস এর শিকার হবে না, সেটা তোর ভুল ধারণা। মুখে মাক্স পরার থেকে পরিষ্কার ভাবে হাত ধুয়াটা বেশি উত্তম। কিন্তু যারা আগে থেকেই করোনাভাইরাস এর শিকার তারা মুখে মাস্ক পরলে, এইবার আর সহজে ছড়াবে না।

করোনাভাইরাসের ওষুধ/ medicine of Coronavirus :

সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক ধরনের পদ্ধতি ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস ঠিক করার জন্য। অনেকে বলছেন ব্লিচ খেলে ঠিক হবে। আবার অনেকে বলছে অর্গানিক অয়েল তেল খেলে ঠিক হয়ে যাবে।একটি হিন্দু মহাসভা তে বলেছে গরুর মুত খেলে ঠিক হয়ে যাবে বা গোমূত্র খেলে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এগুলো কোনটাই সত্য নয়, এইগুলো সব বানানো কথা। বর্তমানে এই ভাইরাসের জন্য কোনরকম ঔষধ তৈরি হয়নি। যদি কারোর ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয় তাহলে সহজে এই ভাইরাস থেকে সেরে উঠবে। বিজ্ঞানী ও ডাক্তারদের মতে এই ভাইরাসের ওষুধ তৈরিতে এক বছর লাগতে পারে। 2002-2003 সালে যে SARS নামে যেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছিল তার ওষুধ তৈরি করতে প্রায় কুড়ি মাস সময় লেগেছিল।
সমস্ত দেশের সরকার চেষ্টা করছে কিভাবে এই ভাইরাসকে ছড়া থেকে বন্ধ করা যায়। এটা করতে সফল হয়েছে সমস্ত দেশের সরকার। কারণ করোনাভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ৯৯% এই দেখা দিয়েছে চায়নার উহান নামক জায়গাই। আর্থিক দিক থেকে চায়নার ওপর খুবই খারাপ প্রভাব পড়তে পারে কোন ভাইরাসের জন্য, আন্দাজ করা হয়েছে $60 বিলিয়ন এর ক্ষতি হতে পারে চায়নার।