দশম শ্রেণীর বাংলা অ্যাক্টিভিটি টাস্ক এর সমস্ত প্রশ্ন এবং উত্তর পার্ট 2. । Class 10 bengali model activity tasks part 2 . । আমরা ভিখারি বারো মাস

আজকে আমরা আলোচনা করব দশম শ্রেণীর বাংলা অ্যাক্টিভিটি টাস্ক এর সমস্ত প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে পার্ট 2.তাহলে চলো শুরু করা যাক-


দশম শ্রেণীর বাংলা অ্যাক্টিভিটি টাস্ক এর সমস্ত প্রশ্ন এবং উত্তর পার্ট 2



দশম শ্রেণীর বাংলা অ্যাক্টিভিটি টাস্ক এর সমস্ত প্রশ্ন এবং উত্তর পার্ট 2. । Class 10 bengali model activity tasks part 2 . । আমরা ভিখারি বারো মাস


(১) ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো :

(১.১) তপন গভীরভাবে সংকল্প করে --

(ক) আর কখনাে লেখা ছাপানাের জন্য নিজে কোথাও যাবেনা।
(খ) মেসােকে নয়, মাসিকেই লেখা জমা দেবে।
(গ) ডাকে লেখা পাঠাবে।
(ঘ) তপন নিজে গিয়ে লেখা জমা দেবে ।

উত্তর :- তপন নিজে গিয়ে লেখা জমা দেবে ।

(১.২) "ডুবে ছিল ধ্যানে - কত দিনের ধ্যান ?

(ক) এক মুগ। (খ) শতবর্ষ (গ) হাজার বছর। (ঘ) যুগের পর যুগ ধরে

উত্তর :- হাজার বছর ।

(১.৩) "আদিতে ফাউন্টেন পেনের নাম ছিল --- 

(ক) ঝরনা কলম (খ) রিজার্ভার পেন (গ) কুইল। (ঘ) স্টাইলাস ।

উত্তর :- রিজার্ভার পেন ।


(১.৪) যে কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করায়, সে হল ---

(ক) প্রযোজ্য কর্তা। (খ) প্রযোজক কর্তা। (গ) উহা কর্তা । (ঘ) অনুক্ত কর্তা ।

উত্তর :- প্রযোজক কর্তা।

(২). কম-বেশি ২০ টি শব্দে উত্তর লেখো ।

(২.১) কে কার বুকের থেকে আফ্রিকাকে ছিনিয়ে নিয়েছিল ?


উত্তর :- রুদ্র সমুদ্রের বাহু প্রাচী ধরিত্রীর বুকের থেকে আফ্রিকা মহাদেশকে ছিনিয়ে নিয়ে গেলো ।

(২.২) ক্যালিগ্রাফিস্ট কাদের বলে ?

উত্তর :- ওস্তাদ কলম্বাজ দের ক্যালিগ্রাফিস্ট বলা হতো বা লিপি কুশলী বলা হয় । বাস্তবিক যাদের হাতের লেখা খুবই সুন্দর । সমস্ত অক্ষর সমান প্রতিটি ছাত্র পরিছন্ন
মোঘল দরবারে ক্যালিগ্রাফিস্ট রা বহু সন্মান পেতেন এমনকি বিশ্বেও তারা সমাদৃত হতেন ।

(২.৩) “বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠা কথাটা" – কোন কথা?

উত্তর :- সাহিত্য প্রেমি তপন ছোটমাসির বিয়ে উপলক্ষে মামা বাড়িতে এসে নতুন লেখক মেসোকে দেখে গল্প লেখার অনুপেরনা পাই । একদিন নিথর দুপুর বেলায় বাড়ির ছাদের সিড়িতে একান্তে বসে । কাঁচা হাতে এক খানা গল্পেও লিখে ফেলে । এ গল্পে মাসীর হাত ধরে লেখক মেসোর হাতে পৌঁছায় । পাঠ করে লেখক মেসো তপনকে খুব প্রশংসা করেন । এবং গল্পটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপিয়ে দেবেন তার ও প্রতিশ্রুতি দেন এককথায় বিকেলে চায়ের টেবিলে আস্থায় সকলের সামনে উঠে আসে ।

(২.৪) সম্বন্ধপদকে কারক বলা যায় কিনা কারণসহ লেখো।

উত্তর :- আমার জানি সম্বন্ধপদকে কারক বলা যায় না ।
কারণ,কারক হতে গেলে ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক থাকা জরুরি । সেই দিক থেকে সম্বন্ধদে ক্রিয়ার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকে না তাই সম্বন্ধপদ কারক নয় । সম্বন্ধপদ আ - কারক ।

(৩) প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কম-বেশি ৬০ শব্দে উত্তর লেখাে :


(৩.১) পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে। - তপনের এমন মনে হওয়ার কারণটি লেখাে।

উত্তর :- আশাপূর্ণা দেবীর রচিত জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রধান চরিত্র তপন এর মধ্যে এমন ভাবনার উদয় হয়েছিল । তপনের লেখা গল্প ছাপা হয়ে প্রকাশিত হবে এটা ছিল তপনের কল্পনার অতীত। ফলে মেসাের হাতে সন্ধ্যাতারা পত্রিকা দেখে তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে। তবে কি সত্যিই তার গল্প ছাপা হচ্ছে এবং সে লেখা হাজার হাজার ছেলের হাতে হাতে ঘুরবে ? তপনের কাছে এটা একটা অলৌকিক ঘটনা বলে মনে হয়।

(৩.২) “আমরা ভিখারি বারো মাস"- এই উপলব্ধির মর্মার্থ লেখো ।

উত্তর :- উক্ত অংশটি কবি শঙ্খ ঘােষ রচিত আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে। দীর্ঘকালীন শোষণ-নিপীড়ন, বন্যার ফলে সাধারণ মানুষ আশ্রম এবং জীবিকা হারিয়ে চির ভিখারিতে পরিনত হযেছে, এর মধ্যে সাম্রাজ্য বাণী , লােভী কিছু মানুষ হিংসার উৎসবে মেতে ওঠে-- মেতে ওঠে যুদ্ধের উন্মাদনায়। ফলে জনসাধারণের জীবন জীবিকা বিপর্যন্ত হয়ে পড়ে। তাদের নেই কোন ইতিহাস কিংবা আছে শুধু বঞ্জনার ইতিহাস তাই তারা নিজেদের ভিখারি বলে মনে করেছে ।

(৪). কম-বেশি ১৫০ শব্দে নীচের প্রশ্নটির উত্তর লেখাে :

(৪.১) "আমরা কালিও তৈরি করতাম নিজেরাই" প্রবন্ধ অনুসারে কালি তৈরি পর্বের বর্ণনাটি নিজের ভাষায় লেখাে।

উত্তর :- হারিয়ে যাওয়া কালি কলম এর লেখক শ্ৰপাহ্ন বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে জন্মগ্রহন করেছিলেন। ফলে তিনি শৈশব থেকেই লেখার কালি বাড়িতেই তৈরি করতেন দিদিদের সহযােগিতায়। গ্লামের প্রবীণরা ভালাে কালি তৈরি করার কৌশল সম্পর্কে ভাদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতেন এভাবে --
তিল ত্রিফলা সিমুল ছালা
ছাগ দুগ্ধ করি মেলা
লৌহ পাত্রে লােহায় ঘসি
ছিড়ে পত্র না ছারে মাসি।
কিন্তু গ্রামীণ বাল্যজীবন কালি তৈরির উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন ছিল। সে কারণে লেখক কালি সংগ্রহ করতেন কাঠের উননে চাপানো কড়াইয়ের নীচ থেকে তারপর সেই কালি লাউ পাতা দিয়ে ঘসে একটি পাথরের বাটিতে রেখে তার জলে গুলে নিতেন । তাদের মধ্যে যাদের যারা ওস্তাদ তারা এ কালো জ্বলে হরিতকি ঘোষতেন। কখনাে বা তার মা কে দিয়ে আতপ চাল ভেজে পুড়িযে তাপ বেটে তাতে মেশাতেন। ভালােভাবে মেশানাের পর একটি খুন্তির গােড়ার দিকটা লাল টকটকে করে পুড়িয়ে সেই জলে ছাকা দিতেন। অল্প জল খাকায় সেটি টগবগ করে ফুটতে । তারপর ন্যাকরাই ছেকে দোয়াতে ঢালা হতাে সেই কালি অর্থাৎ লেখক এর কালি তৈরির ব্যাপারটি ছিল চমকপ্রদ এক বিশাল আয়োজন ।