Header Ads Widget

Live

6/recent/ticker-posts

Class 10 Bengali suggestion 2020 new দশম শ্রেণির বাংলা সাজেশন সব চূর্ণ হয়ে গেল জ্বলে গেল..

আজকে আমরা আলোচনা করব দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে তো চলো শুরু করা যাক আজকের পর্বটি ।

Class 10 Bengali suggestion 2020 দশম শ্রেণির বাংলা সাজেশন 
দশম শ্রেণির বাংলা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর । Class 10 Bengali Important Question And Answer । সব চূর্ণ হয়ে গেল জ্বলে গেল আগুনে । www.newskatha.com


১. সব চূর্ণ হয়ে গেল জ্বলে গেল আগুনে । কোন কোন জিনিসের কথা বলা হয়েছে ? এর পরিণতির কারণ কি ?

উত্তর :- পাবলো নেরুদা অসুখী একজন কবিতায় মানুষের নিশ্চিন্ত আশ্রয় চূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে । চূর্ণ হয়ে গেল কথকের ফেলে আসা মিষ্টি বাড়ি । যে বারান্দা ঝুলন্ত বিছানায় তিনি একদা ঘুমাতেন সেই বারান্দায় আর রইল না । করতলের মতো পাতা সেই গোলাপি গাছ , চিমনি আর পুরনো জলতরঙ্গ সব চূর্ণ হয়ে গেল ।
• আগ্নেয় পাহাড়ের ন্যায় - রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের লেলিহান শিখা গ্রাস করেছিল সমস্ত সমতল কে । যার নির্মম আঘাতে চূর্ণ হয়ে গিয়েছিল ।  'কথকের স্মৃতিবিজড়িত স্নেহাশ্রয় ও অস্তিতের চিহ্নটুকু' ।

২. যেখানে ছিল শহর / সেখানে ছড়িয়ে রইল কাঠ কয়লা অসুখী একজন কবিতা অবলম্বনে শহরের পরিণত কি হলো লেখো
?

উত্তর :- পাবলো নেরুদার রচিত অসুখী একজন কবিতাটিতে গৃহযুদ্ধের অনিবার্য কারণে দেশ ছেড়ে চলে গেল তিনি আর কখনো ফেরেননি । কয়েক বছর পরে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হলো যেখানে এক সময় প্রাণ অঞ্চল শহর ছিল সেখানে ছড়িয়ে রইল কাঠ কয়লা । কিন্তু কবির ফেরার অপেক্ষার দিন গুনছে সেই মেয়েটি ।
সেখানে ছড়িয়ে পড়ে রইল দমড়ানো লোহা মৃত পাথরের দৃশ্য বস্তু মৃত্যুর বীভৎস মাথা , রক্তের দাগ কিন্তু সেই মেয়েটিকে এখনো অপেক্ষারত অবস্থায় দেখা গেল এই ঘটনার নৈপথ্য কারণ হল ভয়ঙ্কর যুদ্ধের বীভৎসতা। যুদ্ধ যখন দেখা দিল মানুষের জিবনে এক রক্তের আগ্নিয় নেপথ্য কারণ পাহাড় ভেঙে পড়লো । সমস্ত সমতলে ছড়িয়ে । পড়ল আগুন এমনকি আগুন দেবালয় গ্রাস করল আর শান্ত হলুদ দেবতারা স্বপ্ন দেখতে পারলো না অর্থাৎ মানুষের। আশ্রয় প্রাণ বস্তুজগৎ ও প্রাণী জগৎ সমস্ত কিছু ছার খার হল । পড়ে রইল দোমড়ানো লোহা রক্তের কালো দাগ প্রবল যুদ্ধের দিক নির্দেশ করে । ধ্বংসস্তূপের ওপর জেগে রইলো মৃত্যুহীন মানবতার প্রতীক সেই মেয়েটি ।

৩. হায় ছায়াবৃত্ত - ছায়া বৃত্ত বলার কারণ কি ? তার সম্পর্কে কবি কি বলছেন লেখো ?

উত্তর :- বিশ্ব মানবতা কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত তার পত্রপুট কাব্যগ্রন্থের নবগঠিত আফ্রিকাকে ছায়া বৃত্ত বলা হয়েছে । আফ্রিকা অরণ্য সঙ্কুল মহাদেশ । সেখানে সূর্যের আলো পর্যাপ্ত আকারে প্রবেশ করতে পারে না । তাই সেই ছায়া বৃত্ত ছায়ায় ঢাকা নবগঠিত আফ্রিকাকে সভ্য জগতের সংস্পর্শ থেকে ছিল অনেক দূরে সভ্যতার আলো স্পর্শ না হওয়ায় তাই ছায়া বৃত্ত মানবপ্রেমিক বিশ্বকবি আফ্রিকা কবিতার মধ্য দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি প্রকাশ করেছেন । এই কবিতার প্রথম পর্বে তিনি আফ্রিকা মহাদেশের গড়ে ওঠার বর্ণনা দিয়েছেন । বিজ্ঞানী ওরেন গারের পাত সঞ্চালন তত্ত্ব কে তিনি আস্তিক কবি কে জগৎ সৃষ্টির নীলা বলে আখ্যা দিয়েছেন । অরণ্য আচ্ছাদিত অর্ধ আলোকিত আফ্রিকা সৃষ্টি হয় প্রাচী ধরিত্রীর বুক থেকে রুদ্র সমুদ্রের বাহু নিয়ে গেল অনেক দূরে প্রকৃতির এই দূর্গমতা সাময়িকভাবে তার অগ্রগতিতে প্রতিবন্ধক হয়ে উঠলো আত্মমগ্ন আফ্রিকা ।
ছায়া বৃত্ত আফ্রিকা এতদিন অপরিচিত ছিল এইবার বিশ্ব বাসীর কাছে নজর কাড়লো সে লেলিহান হয়ে উঠে লোভগ্নি । সম্রাজ্যবাদের শক্তিগুলোর লোভ উনমুক্ত হয়ে উঠল- 
এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে
নখ যাদের তীক্ষ্ণ তোমার নেকড়ের চেয়ে
এল মানুষ ধরার দল
গর্ভে অন্ধ তোমায় সূর্য হারা অরণ্যর চেয়ে

 পরিণামে আফ্রিকা রক্তাক্ত হলো ছিন্নভিন্ন হলো । সরল আদিবাসীরা ক্রীতদাসে পরিণত হল । আফ্রিকায় অপমানিত ইতিহাসে মুদ্রিত হল অন্যায় - অবিচার অমানবিকতার চির চিহ্ন ।

৪. চিরচিহ্ন ছুঁয়ে গেল তোমার অপমানিত ইতিহাসে - তোমার বলতে এখানে কার কথা বলা হয়েছে ? তার অপমানিত ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও ?

উত্তর :- মানবতার পূজারী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর লেখা আফ্রিকা কবিতাটি তে ইউরোপীয় সম্রাজ্যবাদী শক্তিদের অত্যাচার রক্তাক্ত যন্ত্রণাদয় ছিল আফ্রিকার উদ্দেশ্য তিনি মন্তব্য করেছেন ।
অপমানের ইতিহাস :- বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাঠ্য মানব সম্পর্কে সর্বশেষ্ঠ সম্পদ বলে মনে করছেন আজীবন । সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে বারংবার গর্জে উঠেছে তার হাতের কলম । পার্থ কবিতা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে যন্ত্রনা দয় আফ্রিকা কবির মূল্যায়ণ ।
চির চিহ্ন দিয়ে গেল তোমার অপমানিত ইতিহাস
নবীনের ভিতি ও অতীতের জরতা সংস্কার কাটিয়ে আফ্রিকা নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিল বিশ্বমাঝে এবং পরিচিতি অর্জন করেছিলেন । এতদিন সে বিশ্বমাঝে অপরিচিত অবহেলিত উপেক্ষিতা ছিল । তার নব পরিচয় বিশ্ব মহাকাশে তাকে উজ্জ্বল করে তুললো । পাশাপাশি ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদি দেশ গুলো আফ্রিকার সম্পদ লুদ্ধ হল উপনিবেশ গড়ে তোলার জন্য তিনি আফ্রিকাকে করল শতবিক্ষ্মীত । উগ্র লালোসাই তারা শুরু করল তির তাণ্ডব যার ফল ছিল রক্তাক্ত । বনস্পতির নিবিড় ছায়াময় অবগুণ্ঠন এর আড়ালে মানহার আফ্রিকায় মানবী কৃশনাঙ্গ - কৃষ্ণক্ষ্মী রক্তে অশ্রুতে মিশে সজল হয়ে উঠল ।
আফ্রিকার ইতিহাসের মানুষত্বের চরম অবমাননার চিরকালের জন্য স্থায়ী চিহ্ন করে দিল ।