Header Ads Widget

Class 9 Geography Suggestion 2020 new নবম শ্রেণির ভূগোল সাজেশন দ্রাঘিমার পরিবর্তনের সাথে স্থানীয়... ..

আজকে আমরা আলোচনা করব নবম শ্রেণির ভূগোল বিষয়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে তো চলো শুরু করা যাক আজকের পর্বটি ।

Class 9 Geography Suggestion 2020 

Class 9 Geography Suggestion 2020 new নবম শ্রেণির ভূগোল সাজেশন দ্রাঘিমার পরিবর্তনের সাথে স্থানীয়... ..

1. দ্রাঘিমার পরিবর্তনের সাথে স্থানীয় সময়ের পরিবর্তন হয় কেন?

উত্তর:- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারিদিকে 24 ঘণ্টায় একবার আবর্তন করে। এই আবর্তন গতির জন্য প্রতিদিন প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একবার সূর্যের সামনে আসে। সূর্যের আলাে যখন যে দ্রাঘিমার ওপর লম্বভাবে পড়ে তখন সেখানে মধ্যাহ্ন হয়। এই সময় অনুসারে ওই দ্রাঘিমার স্থানীয় সময় নির্ণয় করা হয়। সুতরাং পৃথিবীর দ্রাঘিমারেখাগুলির ওপর সময় কী হবে তা পৃথিবীর আবর্তন এবং সূর্য রশ্মির পতন কোণের ওপর নির্ভর করে। তাই, এই দ্রাঘিমারেখা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সময় ও পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।                    

2. কোনাে স্থানের দ্রাঘিমা কীভাবে নির্ণয় করা যায়?

উত্তর :- কোনাে স্থানের দ্রাঘিমা দু রকমভাবে নির্ণয় করা যায়। যথা -
[১] সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী; 1° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 4 মিনিট। তাই কোনাে স্থানের স্থানীয় সময়ের সঙ্গে 4 মিনিট সময় যােগ করলে, ওই স্থানের অবস্থান তার 1° পূর্বে এবং 4 মিনিট সময় বিয়ােগ করলে, ওই স্থানের অবস্থান তার 1° পশ্চিমে হবে।

[২] গ্রিনিচের সময়ের মাধ্যমে: গ্রিনিচের দ্রাঘিমা 0°। সুতরাং, গ্রিনিচের সময় এবং অন্য কোনাে জায়গার স্থানীয় সময় জানা থাকলে সময়ের পার্থক্য থেকে ওই জায়গার দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। যেমন—ভারত ও গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য 5 ঘণ্টা 30 মিনিট, সুতরাং দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে 82°30'।

3. ক্ষয়জাত পর্বত কে অবশিষ্ট পর্বত বলে কেন?

উত্তর :- বহুকাল ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি ভূমিভাগের ক্ষয় করে এবং ভূমিরূপের পরিবর্তন করে। উঁচু পার্বত্যভূমির কোমল শিলায় গঠিত অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হলে নীচু পর্বতে পরিণত হয়। কিন্তু পর্বতের মধ্যের কঠিন শিলা গঠিত অংশ কম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পর্বত বা উচ্চভূমি হিসেবে অস্তিত্ব রক্ষা করে। তাই এই ধরনের পর্বত ক্ষয়জাত পর্বত বা অবশিষ্ট পর্বত বা নগ্নীভূত পর্বত বলে। পুরােনাে ভঙ্গিল পর্বত গুলি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নীচু পর্বত হিসেবে অবস্থান করছে। আরাবল্লী, অ্যাপালাচিয়ান এইজাতীয় পর্বত।

4. ভূগাঠনিক সমভূমি ও ক্ষয়জাত সমভূমি সম্পর্কে আলোচনা করো।

উত্তর :- ভূগাঠনিক সমভূমি

১. সংজ্ঞা : ভূ আন্দোলনের ফলে (মহীভাবক) ভূ পূষ্ঠের কোনাে নিম্নভূমি উথিত হয়ে বা কোনাে উচ্চভূমি অবনমিত হয়ে সমভূমির রূপ ধারণ করলে, তাকে ভূগাঠনিক সমভূমি বলে।

২. প্রকারভেদ : ভূগাঠনিক সমভূমি দুই প্রকার। যথা [a] উন্নত সমভূমি , [b] অবনত সমভূমি

৩. উৎপত্তি : [a] সমুদ্র উপকূলের অগভীর অংশ ভূ-আন্দোলনের ফলে ওপরে উঠে উন্নত সমভূমির সৃষ্টি করে। [b] কোনাে উচ্চ ভূমিভাগ ভূ-আন্দোলনের ফলে নীচে বসে গিয়ে অবনত সমভূমির সৃষ্টি করে।

৪. বৈশিষ্ট্য : [a] ভূ-আন্দোলনের ফলে এই ধরনের সমভূমির সৃষ্টি হয়। [b] সমুদ্র উপকূল অঞ্চলে এই ধরনের সমভূমি বেশি দেখা যায়। [c] আকস্মিকভাবে এই সমভূমি সৃষ্টি হয়।

৫. উদাহরণ: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো উপসাগরের তীরবর্তী উপসাগরীয় সমভূমি এবং তুরানের নিম্নভূমি যথাক্রমে উন্নত ও অবনত সমভূমির দুটি নিদর্শন।

ক্ষয়জাত সমভূমি

১. সংজ্ঞা : প্রাকৃতিক ক্ষয়কারী শক্তি দ্বারা (যেমন-নদী, বায়ুপ্রবাহ) প্রাচীন কোনাে উচ্চভূমি সুদীর্ঘকাল ধরে ক্ষয় পেয়ে সমভূমির আকার ধারণ করলে, তাকে ক্ষয়জাত সমভূমি বলে।

২. উৎপত্তি : মালভূমি বা কোনাে উচ্চভূমি কোমল ও কঠিন শিলা দিয়ে গঠিত হয়। প্রাকৃতিক ক্ষয়কারী শক্তিগুলি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষয়কার্য চালিয়ে উচ্চভূমির উচ্চতা হ্রাস ঘটায় এবং মৃদু ঢাল যুক্ত, ভূবৈচিত্র্যহীন সমভূমিতে পরিণত করে ।

৩. বৈশিষ্ট্য : [a] উচ্চভূমি ক্ষয়ের ফলে এই ধরনের সমভূমি সৃষ্টি হয়। [৮] সমভূমির মাঝে, কোথাও কোথাও টিলার মতাে কঠিন শিলায় গঠিত অংশ (মোনাডনক) দেখা যায় [c] ক্ষয়জাত সমভূমি উর্বর হয় না। 

৪. উদাহরণ : ছোটোনাগপুর মালভূমির কিছু কিছু অংশ ক্ষয়জাত সমভূমির অন্তর্গত।