পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 5 । Class 5 Bengali Model Activity Task Part 5 New. 2021 । মধু কাটতে তিনজন লোক...

পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 এর পার্ট 5 এর প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব চলো শুরু করা যাক ।


পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 5

পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা নতুন 2021 এর মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 5


নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:


১. 'মাঠ মানে ছুট' কবিতায় কবির কাছে মাঠ কীভাবে নানান অর্থে প্রতিভাসিত হয়েছে আলোচনা করো।

উত্তর - কবি কার্তিক ঘোষের কাছে, মাঠ মানে ছুটি পাওয়ার মজা, সঙ্গে খুশির লুটোপুটি। কবির কাছে, মাঠ হল্লা ও হাঁসির জায়গা। মন হারানো বাঁশির সুরে এই মাঠ কবির ঘুম ছুটিয়ে দেয়। নিকেল করা বিকেলের নাচনা পায়ের তাধিন ধিন বাজনা, কবি মনে সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দাঁপ জ্বালিয়ে দেয়। সর্বপরি মাঠ হলো কবির এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

২. অবশেষে দীর্ঘ যাত্রা শেষে তারা ভগবানের প্রাসাদে পৌঁছল। তারপর কী ঘটল, তা পাহাড়িয়া বর্ষার সুরে রচনা অনুসরণে লেখো।

উত্তর - বৃষ্টি এনে পৃথিবীকে বাঁচাতে ব্যাঙ, মৌমাছি, মোরগ ও বাঘ দীর্ঘ যাত্রা শেষে ভগবানের প্রাসাদে পৌঁছল, সেখানে গিয়ে তারা দেখল সবাই নানান তোজ ও আনন্দ-উৎসবে ব্যস্ত। তাদের স্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও মহানন্দ। ব্যাঙ বুঝতে পারল কেন রাজ্যে এত অভাব, এত কষ্ট। রাগে উত্তেজিত হয়ে তারা গেল ভগবানের কাছে। অবশেষে ভগবান তার মন্ত্রীদের ডাকল এবং তাদের গাফিলতির জন্য তিরস্কার করল। এরপর তাদের জয়ের জন গবিত বাঙ তখনই উল্লসিত হয়ে সরবে পুকুরে ফিরে গেল। তারপর থেকে যখনই ব্যাঙ ঢাকে, তখনই বৃষ্টি নামে।


৩. 'ঝড়' কবিতা অনুসরণে শিশুটির ঝাড় দেখার অভিজ্ঞতার বিবরণ দাও।

উত্তর - মৈত্রেয়ী দেবীর "ঝড়" কবিতায় সেদিন ঝড় দেখে শিশুটির ভারী ভালো লাগলো। দুপুরবেলা মাঠে খেলতে খেলতে হঠাৎ আকাশে মেঘ উঠলো। দেখতে দেখতে বকুলতলা, চাঁপাবন, দিঘির জল সবই কালো হয়ে উঠল। শিশুটির মনে হলো, সে যেমন দস্যিপনা করে ঘরের মেঝের উপর কালি ঢেলে দেয়, ঝড়ও যেনো কোন দস্যি ছেলের মতো আকাশের উপর কালি ঢেলে দিয়েছে।

৪. মধু কাটতে তিনজন লোক চাই।— এই তিনজন লোকের কথা মধু আনতে বাঘের মুখে রচনাংশে কীভাবে উপস্থাপিত হয়েছে?

উত্তর - শিবশঙ্কর মিত্রের "মধু অনতে বাঘের মুখে" গল্পে উদ্ধৃত প্রসঙ্গটি রয়েছে। মধু কাটতে তিনজন লোকের আলাদা আলাদা কাজ রয়েছে। প্রথম জনের কাজ- চট্ট মুড়ি দিয়ে গাছে উঠে কাস্তে দিয়ে মৌচাক কাটা। দ্বিতীয় জনের কাজ একটা লম্বা কাঁচা বাঁশের মাথায় মশাল জ্বেলে ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছিকে তাড়ানো। আর তৃতীয় জনের কাজ একটা বড় ধামা হাতে নিয়ে চাকের নিচে দাঁড়ানো। গল্পে এই তিনজনের কথা এভাবেই উপস্থাপিত হয়েছে।


৫. 'মায়ারু' কবিতার নামকরণের সার্থকতা প্রতিপন্ন করো।

উত্তর - কবি অশোকবিজয় রাহা 'মায়াতরু' কবিতায় একটি আজব গাছের বর্ণনা দিয়েছেন। সন্ধ্যা হলেই গাছটি যেন দুহাত তুলে ভূতের মতো নাচ শুরু করতো। আবার রাতের আকাশে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়লে গাছটি অনেকটা ভালুকের মতো ঘার ফুলিয়ে গড়গড় শব্দ করতো। পরক্ষনেই যখন গাছের মাথায় বৃষ্টি পড়ত তখন গাছের পাতা এমনভাবে কাঁপত, মনে হতো যেনো গাছের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর এসেছে। আসলে কবি তার কল্পনায় গাছটিকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। সকালের সোনাঝরা রোদ, রাতের অন্ধকার, পূর্ণিমার আলো আর বর্ষার বৃষ্টি- এই সবের মাঝে কবি গাছটিকে দেখেছেন। প্রত্যেক বরই গাছটি তার ভিন্ন ভিন্ন মায়াবী রূপ নিয়ে হাজির হয়েছে। তাই কবিতাটির নামকরণ স্বার্থক।


৬. 'এই তো সুবুদ্ধি হয়েছে তোমার বক্তা কে? কাকে সে একথা বলেছে। কীভাবে তার সুবুদ্ধি হয়েছে?

উত্তর - বীরু চট্টোপাধ্যায়ের "ফর্ণীমনসা ও বনের পরি" নামক নাটকে প্রশ্নে উদ্ধৃত উক্তিটির বক্বাহলো বনের পরি।


"সে ফণীমনসাকে একথা বলেছে।

ফণীমনসা তার ইচ্ছা অনুসারে বনের পরির কাছে কখনো সোনার পাতা, তো কখনো কাচের পাতা আবার কখনো পালং শাকের মতো সবুজ পাতাও প্রার্থনা করে। এই সব পাতাগুলোই ফণীমনসা হারিয়ে ফেলে ডাকাত দল, ঝড় বা ছাগলের কাছে। শেষ পর্যন্ত সে নিজের জন্মগত কাঁটাতরা ছুচোলো পাতাই শ্রেয় বলে মনে করে। এই ভাবে তার সুবুদ্ধি হয়।


৭. তারি সঙ্গে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান – কেমন দিনে কথকের ছেলেবেলার কোন গানটি মনে পড়ে?

উত্তর -
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর" কবিতা অনুসারে বৃষ্টির দিনে কথকের ছেলেবেলার যে গানটি মনে পড়ে সেটি হল- “বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান"।

৮. ‘বোকা কুমিরের কথা' গল্পে কুমিরের বোকামির পরিচয় কীভাবে ফুটে উঠেছে ?

উত্তর - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর 'বোকা কুমিরের কথা' গল্পে শিয়াল আর কুমির মিলে চাষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরা একে একে আলু, ধান ও আখের চাষ করে। কুমির শিয়ালকে ঠকাবার জন্য আলু গাছের অগার দিক নিয়ে নিজেই ঠকে গেল। এরপর যখন ধান চাষ করল, কুমির এবার গোড়ার দিক দাবি করলো। সে ভেবেছিল মাটির নাঁচে হয়তো ধান ফলে। সে এবারও ঠকলো। আর কিছুতেই ঠকা যাবে না, এই ভেবে কুমির, আগেভাগেই অখ গাছের আগার দিকটা কেটে বাড়িতে এনে চিবিয়ে দেখে, শুধু নোনতা, তাতে একটুও মিষ্টি নেই। এইসব ঘটনার মাধমে কুমিরের বোকামির কথা গল্পে ফুটে উঠেছে।