অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 5 । Class 8 History Model Activity Task Part 5 New. 2021 । ইয়ং বেঙ্গল দলের দুটি সীমাবদ্ধতার ....

অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 এর পার্ট 5 এর প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব চলো শুরু করা যাক ।


অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 5

অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস নতুন 2021 এর মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 5


১. 'ক' স্তস্তের সাথে 'খ' স্তম্ভ মেলাও

উত্তর -

ক স্তম্ভখ স্তম্ভ
১.১. আবওয়াবঘ) বেআইনি কর
১.২. সাহুকারক) মহাজন
১.৩. দাদনখ) অগ্রিম অর্থ
১.৪. রায়তগ) কৃষক


২. সঠিক তথ্য দিয়ে নীচের ছকটি পূরণ করো

উত্তর -

বিদ্রোহএকজন ক্রেতার নামকারণ (যে কোনো একটি)
নীল বিদ্রোহবিষ্ণুচরন বিশ্বাস , দিগম্বর বিশ্বাসনীলকর কোন নীলচাষীকেই ন্যায্য দাম দেয় না
বারাসাত বিদ্রোহমীর নিসার আলী (তিতুমীর)ব্রিটিশদের অত্যাচার
সাঁওতাল বিদ্রোহসিধু কানহু বহিরাগত মহাজনদের অত্যাচার
মুন্ডা বিদ্রোহবিরসা মুন্ডাজমিদার মহাজন' খ্রিষ্টান মিশনারি ও ঔপনিবেশিক সরকারের অত্যাচার


৩. সংক্ষেপে উত্তর (৩০-৪০ টি শব্দ)

৩.১. পণ্ডিতা রমাবাঈ কেন স্মরণীয়?


উত্তর - পণ্ডিতা রমাবাই একজন মহিলা অধিকার ও শিক্ষা কর্মী। ভারতের নারীদের শিক্ষা ও মুক্তি দানের অগ্রদূত এবং একজন সমাজ সংস্কারক। তিনি প্রথম নারী যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পণ্ডিত এবং সরস্বতী উপাধিতে ভূষিত হন।তিনি ১৮৮৯ সালের কংগ্রেস অধিবেশনে ১০ জন মহিলা প্রতিনিধিদের মধ্যে একজন ছিলেন। ১৮৯০ সালের শেষদিকে, তিনি পুনে শহর থেকে চল্লিশ মাইল পূর্বে কেদগাঁও গ্রামে মুক্তি মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। পরে মিশনটির নামকরণ করা হয় পণ্ডিতা রমাবাই মুক্তি মিশন।


৩.২. ইয়ং বেঙ্গল দলের দুটি সীমাবদ্ধতার উল্লেখ করো।


উত্তর - ইয়ং বেঙ্গল দলের দুটি সীমাবদ্ধতা হল

(i)ইয়ং বেঙ্গল দল শুধু হিন্দু সমাজের সংস্কার নিয়ে চিন্তাভাবনায় ব্যস্ত ছিল। মুসলিম সমাজের সংস্কার নিয়ে গোষ্ঠীর সদস্যরা কোনো চিন্তাভাবনা করেননি। (ii) ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী দেশের দরিদ্র কৃষক ও শ্রমিকদের দুরবস্থা ও সমস্যা সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন ছিলেন।


৪. নিজের ভাষায় লেখো (১২০ ১৬০টি শব্দ) : ‘সম্পদের বহির্গমন' বলতে কী বোঝো?


উত্তর - সম্পদের বহির্গমন- পলাশির যুদ্ধ জয়ের পর কোম্পানি অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা ও ভারতের অন্যান্য প্রান্ত থেকে কোনো প্রতিদান ছাড়াই বিপুল পরিমাণ অর্থ, বিভিন্ন পণ্য ও উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ইংল্যান্ডে চালান করেছিল এই ঘটনাটিই ঐতিহাসিক ও সমালোচকদের মতে সম্পদের নির্গমন বা অর্থনৈতিক নিষ্ক্রমণ ( Economic Drain ) নামে পরিচিত।এ প্রসঙ্গে কোম্পানির মাদ্রাজের রাজস্ব সচিব জন সুলিভ্যান লিখেছেন—আমাদের শাসনব্যবস্থা অনেকটা স্পঞ্জের মতো, গঙ্গা তীরবর্তী দেশ থেকে এই স্পঞ্জধর্মী শাসন যা কিছু সম্পদ সব শুষে নেয় এবং টেমস তীরবর্তী দেশে এনে তা নিংড়ে দেয়।দাদাভাই নওরোজি, রমেশচন্দ্র দত্ত সম্পদের বহির্গমনকে ‘Drain of Wealth' বলে উল্লেখ করেছেন।


সময়কাল-:১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশির যুদ্ধ জয়ের পর থেকেই কোম্পানি বিভিন্নভাবে সম্পদের নির্গমন ঘটাতে শুরু করে।কার্ল মার্কস ‘দাস ক্যাপিটালের 'প্রথম খণ্ডে উল্লেখ করেছেন যে-১৭৫৭ থেকে ১৭৬৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ৬ মিলিয়ন পাউন্ড শুধু উপহার বাবদ ভারতের বাইরে চালান দেওয়া হয়।

সম্পদ নির্গমনের পদ্ধতি-: আর্থিক নিষ্ক্রমণ ঘটেছিল দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে।


(i) কোম্পানির কর্মচারী ও বণিকদের মাধ্যমে।

(ii) কোম্পানির বাণিজ্য অর্থনীতি ও রাজস্বনীতির মাধ্যমে ।
এই দুটি পদ্ধতিতে প্রচুর পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ ভারত থেকে ইংল্যান্ডে পাচার করা হয়েছিল।