পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6 । Class 5 Bengali Model Activity Task Part 6 New. 2021 । ঝড়' কবিতায় উল্লিখিত দুটি ...

পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 এর পার্ট 6 এর প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব চলো শুরু করা যাক ।


পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6


পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা নতুন 2021 এর মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6


১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

১.১. কেউ করে না মানা। – কার কোন কাজে কেউ নিষেধ করে না?

উত্তর - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর কবিতায় মেঘকে কেউ কোন কাজে নিষেধ করে না।

১.২. এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে। -কী চাষের সময় কুমির একথা বলেছিল?

উত্তর - বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী রচিত 'বোকা কুমিরের কথা 'গল্পে কুমির ধান চাষের সময় গোড়ার দিক দিতে হবে বলেছিল।

১.৩. মাঠ মানে কী অর্থই খুশির অগাধ লুটোপুটি! – ‘অর্থই' এবং “অগাধ' শব্দ দুটির অর্থ লেখো।

উত্তর - অথই শব্দের অর্থ হলো যেখানে -তলদেশ নেই এমন গভীর
অগাধ শব্দের অর্থ হলো- গভীর এবং বিশাল।

১.৪. ‘ঝড়' কবিতায় উল্লিখিত দুটি গাছের নাম লেখো।

উত্তর - মৈত্রেয়ী দেবী রচিত 'ঝড়' কবিতায় উল্লিখিত দুটি গাছের নাম হল- চাপা গাছ ওবকুল গাছ।

১.৫. ‘ট্যাক্’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর - দুটো ছোট নদী যখন একসঙ্গে মেশে তখন মেশবার ফলে সেখানে ত্রিভূজ আকারের খন্ড তৈরি হয়। এই ত্রিভুজ আকারের খন্ডের মাথা কেই 'ট্যাক' বলে।

১.৬. 'রূপালি এক ঝালর' – কবি কোথায় 'রূপালি ঝালর' দেখেছেন?


উত্তর - অশোক বিজয় রাহা রচিত 'মায়াতরু কবিতায় বর্ণিত মায়াবী গাছটিতে রুপালি এক ঝালর দেখেছেন।

১.৭. 'করুণা করি বাঁচাও মোরে এসে কখন ফণীমনসা একথা বলেছে?

উত্তর - বীরু চট্টোপাধ্যায় রচিত 'ফনিমনসা ও বনের পরী 'নাট্যাংশ যখন ডাকাতদল ফণীমনসার সোনার পাতা ছিঁড়ে পটলা বেঁধে গাছটিকে ন্যারা করে দেয় তখন ফনিমনসা উক্ত মন্তব্যটি করেছে ।

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

২.১ মাঠ মানে তো সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দীপ’ – পঙক্তিটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।

উত্তর - কার্তিক ঘোষ রচিত 'মাঠ মানে ছুট' কবিতায় 'মাঠ মানে তো সবুজ পানের শাশ্বত এক দ্বীপ' লাইন মধ্য দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন মাঠ হলো এমন এক বিশাল জায়গা যেখানে শিশুরা প্রাণভরে খেলা ও লুটোপুটি খায়।মাঠ হল এমন জায়গা যেখানে শিশুরা মনের উদারতা সৃষ্টি তারা প্রাণ খুলে হাসতে পারে। বাঁচার সাহস নিয়ে খাঁচা ভাঙা ছোট পাখির মত মুক্ত আকাশে উড়ে চলার জীবন।

২.২. 'ব্যাঙ স্বেচ্ছায় বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত বলো। বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হয়ে ব্যাঙ কী করেছিল?

উত্তর - 'পাহাড়িয়া বর্ষার সুরে' গল্পে পৃথিবীতে যখন খরা চলছে তখন ব্যাং স্বেচ্ছায় বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হলো। সে ঠিক করেছিল যে ভগবানকে জিজ্ঞাসা করবে কেন সৃষ্টিকে অর্থাৎ পৃথিবী কে জল থেকে অবহেলা করছে। সে সকালে বেলা যাত্রা শুরু করে এবং সে জানতো যে ভগবানের কাছে যাওয়ার জন্য রাস্তা অত্যন্ত ক্লান্তিকর, সে যখন তার গন্তব্যে যাচ্ছিল তখন তার সঙ্গে ব্যাং, মৌমাছি, মোরগ,বাঘ এর সঙ্গে দেখা হয় তারাও বলে আমরাও তোমার সঙ্গে যাবো। এইভাবে তারা গেল এবং পৃথিবীতে বৃষ্টি নামিয়ে আনলো।

২.৩. ঝড় কারে মা কয়?” – কবিতায় শিশুটি নিজের এই প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দিয়েছে?

উত্তর - মৈত্রেয়ী দেবী রচিত 'ঝড় 'কবিতায় শিশুটির ঝড় দেখে মনে হয়েছে কাদের যেন ছেলে কালির দোয়াত দিয়ে দিয়েছে। ঠিক যেমন সে তাদের মেঝের ওপর কালি ঠালে। দোয়াতের কালি ঢাললে যেমন মেঝে কালো হয়ে যায়, ঠিক তেমনি শিশুটির মেঘ দেখে মনে হয়েছে কেউ যেন আকাশের উপর দোয়াতের কালি ঢেলে দিয়েছে । এইভাবে শিশুটি নিজের প্রশ্নের উত্তর নিজেই দিয়েছে।

২.৪. তাদের কথা বলার শক্তি নেই।' – কখন এমন পরিস্থিতি হলো?

উত্তর - শিবশংকর মিত্র রচিত 'মধু আনতে বাঘের মুখে' গল্পে কফিল ও আর্জান যখন ধনায় কে ডাকে,তখন ধনাই তাদের দিকে তাকানোর অবকাশ পেল না। বিরাট হুংকারে বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়লো তার ওপর এই দেখে তাদের আর্জান ও কাফিল ঝোপের আড়ালে হতভম্ব হয়ে যায়।এবং তাদের কথা বলার শক্তি থাকে না।

২.৫. ‘ভেবে পাই নে নিজে' – কবি কী ভেবে পান না?

উত্তর - 'মায়াতরু' কবিতায় গাছটিকে দিনের এক এক সময় ও আলো আধারি বর্ষায় এক এক রকম দেখতে লাগে। অনেকটা যেন মায়ার খেলা দেখা যেত । গাছটিকে সন্ধ্যা বেলায় গাছ থেকে দুই হাত তুলে ভুতের নাচ করতে দেখেছেন কবি, আবার রাত্রিশে ভালুকের মতো কম্পজ জ্বর আসতো, এছাড়াও বৃষ্টি থামলেই লক্ষ্য হীরার মাছ গাছটির মাথায় যেন মুকুট হয়ে যেত। এইভাবে কবি কল্পনা করতে করতে তিনি যেন কল্পনার জগতে হারিয়ে যান তাই তিনি আর কিছু ভেবে পান না।

২.৬. ফণীমনসা ও বনের পরি’ নাটকে সুত্রধারের ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তর - 'ফনিমনসা ও বনের পরি' নাটকে সুত্রধারেরএর ভূমিকা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য উজ্জল। সূত্রধার শব্দের অর্থ হলো নাটকের প্রস্তাবক অর্থাৎ নট। 'ফনিমনসা ও বনের পরি' নাটক শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সূত্রধরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়। সমস্ত নাটকটি ফনিমনসা ও বনের পরি চরিত্রকে নিয়ে গড়ে উঠলেও সমগ্র নাটকটিতেই সূত্রধারের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য দৃশ্যের বিবরণ, ঘটনাগুলি পরিবর্তন, আমরা দেখতে পাই তাই নাটকটিতে সুত্রধার এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৩.১. বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় এবং ক্রিয়া যোগে একটি বাক্য রচনা করো।

উত্তর - রাম এবং তার বন্ধুরা ভালো খেলেছে।

রাম: বিশেষ্য
এবং: অব্যয়
তার: সর্বনাম
ভালো: বিশেষণ
খেলেছে: ক্রিয়া

৩.২. ‘নাম বিশেষণ’ এবং 'ক্রিয়া বিশেষণ’ বলতে কী বোঝ?


উত্তর - যে পদ বিশেষ্য পদের গুণ ধর্ম পরিমাণ ইত্যাদি বোঝায় তাকে নাম বিশেষণ বলে।

উদা: ভালো ছেলে

যে বিশেষণ পদ কোন ক্রিয়া কি অবস্থায় কখন কিভাবে সম্পন্ন হবে সেটা বোঝাই তাকে ক্রিয়া বিশেষণ। উদা: ঝিমঝিম করে বৃষ্টি পড়ছে।

৩.৩. 'অ' এবং ‘ই/ঈ’ যোগে পাঁচটি করে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ তৈরি করো।

উত্তর -
'অ' করে স্ত্রী লিঙ্গ বাচক শব্দ:
সদস্য+আ=সদস্যা
শিষ্য+আ =শিষ্যা
নবীন +আ =নবীনা
সুমন + আ =সুমনা
চন্দন+আ=চন্দনা

ই/ঈ যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ:
তরুণ +ঈ=তরুণী
ছাত্র+ঈ =ছাত্রী
তাপস+ঈ=তাপসী
সুন্দর+ঈ=সুন্দরী
গরান+ঈ=গরানী