ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6 । Class 6 History Model Activity Task Part 6 New. 2021 । মেগালিথ কী ?

ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 এর পার্ট 6 এর প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব চলো শুরু করা যাক ।


ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6

ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস নতুন 2021 এর মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6


১. শূন্যস্থান পূরণ করো

(ক) জৈন ধর্মের প্রধান প্রচারকে বলা হতো,_______।

উত্তর - তীর্থঙ্কর

(খ) আজীবিক গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন________ ।

উত্তর - গোশাল

(গ) সুও ও বিনয় পিটক সংকলিত হয়েছিল___________ বৌদ্ধ সংগীতির সময় ।

উত্তর - প্রথম

২. সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় করো

(ক) পরবর্তী বৈদিক যুগের ইতিহাস জানার একমাত্র উপাদান ঋকবেদ।

উত্তর - মিথ্যা

(খ) ভরত গোষ্ঠীর রাজা ছিলেন সুদাস ।

উত্তর - সত্য

(গ) প্রায় ছ-বছর তপস্যা করার পর মহাবীর বোধি বা জ্ঞান লাভ করেন।

উত্তর - মিথ্যা

৩. একটি বা দুটি বাক্যে লেখো :

(ক) মেগালিথ কী ?

উত্তর - মেগালিথ হচ্ছে একপ্রকার প্রাচীন পাথর যা কোন স্থাপত্য বা মিনার তৈরী করতে এককভাবে বা অনেকগুলো নিয়ে ব্যবহৃত হয়। আর মেগালিথিক মানেই হচ্ছে এই বিশেষ প্রাচীন পাথরের তৈরী কোন স্থাপনা যা মর্টার বা কনক্রিটের ব্যবহার ছাড়াই তৈরী করা হয়েছে এবং অতি অবশ্যই যা প্রাগৈতিহাসিক বলে অভিহিত করা যায়। পরবর্তীতে নির্মিত স্থাপনাগুলোকে অবশ্য মনোলিথিক বলে অভিহিত করা যায়।


(খ) জাতকের গল্পের মূল বিষয়বস্তু কি ?

উত্তর - জাতকের মূল চরিত্র বা অতীতের বোধিসত্ত্বই বর্তমানের বুদ্ধ। অতীত জীবনের সাথে বর্তমান জীবনের সম্পর্ক স্থাপন করা হয় যাকে সমবধান বা সমাধান বলা হয়। জাতকের উপদেশ ও নীতি শিক্ষা মানুষকে মৈত্রী পরায়ণ, দয়াবান, সৎ ও আদর্শবান হতে শেখায়।


৪. নিজের ভাষায় লেখো (৩-৪টি বাক্যে):

নব্যধর্ম আন্দোলন কেন গড়ে উঠেছিল?


উত্তর - খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে নাগাদ ভারতীয় | উপমহাদেশে সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনীতি বদলাতে শুরু করে। নতুন নতুন নগর গড়ে ওঠে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকেই ধনী ছিল। যজ্ঞে পশু বলি দেওয়া কৃষকদের পক্ষে ছিল ক্ষতিকর। আগে বর্ণ ভাগ ছিল কাজের ভিত্তিতে, পরে তা জন্মগত ও ধর্মের বহুলতা আচার সর্বস্বতা একসময় বৈদিক ধর্ম থেকে সাধারণ মানুষকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করেছিল। সমুদ্রযাত্রা নিষিদ্ধ, সুদে টাকা খাটানো নিন্দনীয় প্রভৃতি বিষয় শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়েছিল। তাই তারা নতুন ধর্মের দিকে ঝুঁকতে আরম্ভ করেছিল। বৈশ্যদের পাশাপাশি ক্ষত্রিয়রাও নতুন ধর্মের দিকে ঝুকে ছিল যা হবে সহজ-সরল। এই চাহিদার জন্য পথে এসেছিল দুটি নতুন ধর্ম – জৈন ধর্ম এবং বৌদ্ধ ধর্ম। ব্রাহ্মণ্য ধর্মের যাগযজ্ঞের বিরোধিতা করে পশুবলি নিষিদ্ধ করে বেদের বিরোধিতা করে ধর্ম সম্পর্কে এক নতুন পথের সন্ধান দেয়। এই সব ধর্মের প্রচার করার জন্য নতুন নতুন অনেক কথা বলেছিলেন যা সাধারণ মানুষকে যাগযজ্ঞের বিরোধিতা করে পশুবলি নিষিদ্ধ করে বেদের বিরোধিতা করে ধর্ম সম্পর্কে এক নতুন পথের সন্ধান দেয়। এই সব ধর্মের প্রচার করার জন্য নতুন নতুন অনেক কথা বলেছিলেন যা সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করেছিল। আর এই নতুন ধর্মমত গুলোই নব্য ধর্ম নামে পরিচিত হয়েছিল।