অষ্টম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6 । Class 8 Bengali Model Activity Task Part 6 New. 2021 । 'দাঁড়াও' কবিতার ভাববস্তু আলোচনা ....

অষ্টম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6 । Class 8 Bengali Model Activity Task Part 6 New. 2021 । 'দাঁড়াও' কবিতার ভাববস্তু আলোচনা । তবু নে

অষ্টম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 এর পার্ট 6 এর প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব চলো শুরু করা যাক ।



অষ্টম শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6


অষ্টম শ্রেণীর বাংলা নতুন 2021 এর মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট 6 September Model Activity Task


১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

১.১. 'তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও - কার পাশে দাঁড়ানোর এই আহবান?

উত্তর - কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় প্রতিটি মানুষকে মানবিক অনুভবে টানে প্রত্যেক অসহায় নিঃসঙ্গ মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

১.২. 'রমেশ অবাক হইয়া কহিল, ব্যাপার কী? উত্তরে চাষিরা কী বলেছিল? 


উত্তর - অবিরাম বৃষ্টিপাতের পর কুড়ি জন অসহায় দরিদ্র কৃষক তাদের কণ্ঠে কেঁদে পড়ল। তাদের কান্না শুনে রমেশবাবু জিজ্ঞেস করেছিলেন ব্যাপার কি? তখন চাষিরা জানিয়েছিল। তাদের ১০০ বিঘা মাঠ জলে ডুবে গেছে, জল বার না করলে সমস্ত ধান নষ্ট হয়ে যাবে এবং অনাহারে তাদের মৃত্যুবরণ করতে হবে।

১.৩. 'একটা স্ফুলিঙ্গ হীন ভিজে বারুদের স্তূপ। - কাদের দেখে একথা মনে হয়?

উত্তর - অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত রচিত ছন্নছাড়া কবিতায় পাড়ার রাস্তার মোড়ে আড্ডা দেওয়া চালচুলোহীন বেকার একদল যুবককে দেখতে পাই। তাদের মধ্যে কাজের শক্তি থাকলেও তা যেন নিভে আছে। রাস্তায় আড্ডা দেওয়া ওই যুবক দলকেই কবি ভিজে বারুদের স্তুপ বলেছেন।

১.৪. ‘গাছের জীবন মানুষের জীবনের ছায়ামাত্র। লেখকের এমন মন্তব্যের কারণ কী?

উত্তর - গাছের কথা প্রবন্ধে জগদীশচন্দ্র বসু বলেছেন গাছপালা কে ভালবাসতে শিখে তিনি অনুভব করেছেন যে, মানুষের মতোই গাছেরাও আহার করে, দিনে দিনে বাড়ে, মানুষের মতো তাদেরও অভাব তাদেরও দুঃখ কষ্ট আছে, জীবনধারণের জন্য সদা ব্যস্ত আছে এবং কি মানুষের মায়ের মতোই প্রয়োজনের সন্তানের জন্য জীবন ত্যাগও গাছের মধ্যে দেখা যায়। এগুলি অনুভব করেই লেখক উক্ত মন্তব্যটি করেছেন।

১.৫. 'তবু নেই, সে তো নেই, নেই রে কী না থাকার যন্ত্রণা পক্তিটিতে মর্মরিত হয়ে উঠেছে?


উত্তর - কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত হাওয়ার গান কবিতায় হাওয়া নিজের বাসস্থানের খোঁজে সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু কোথাও তার নিজের বাসস্থান খুঁজে পায় না। এখানে হওয়ার নিজস্ব বাসভূমি না থাকার যন্ত্রণার চিত্র ফুটে উঠেছে।

১.৬. ছন্দহীন বুনো চালতার 'বুনো চালতা'কে ছন্দহীন বলা হয়েছে কেন?

উত্তর - কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত 'পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি কবিতায় বুনো চালতার গাছকে দ্বন্দ্বহীন বলেছেন, কারণ বুনো চালতা গাছ বহুদিন ধরে একই রকম ভাবে স্থির অবস্থায় তার শাখা-প্রশাখা গুলি নত করে রয়েছে। এই গাছে বহুদিন যাবত কোন চাঞ্চল্য লক্ষ করা যায়নি।

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

২.১. 'দাঁড়াও' কবিতার ভাববস্তু আলোচনা করো।

উত্তর - মানবিক বোধসম্পন্ন কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় “দাড়াও” কবিতাটির মধ্যে দিয়ে মানুষের মানবিকতা অবক্ষয়ের দিকটিকে তুলে ধরেছেন। “মানুষ” শব্দটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে 'মান' ও হুঁশ এর অর্থ। কিন্তু যত মানুষ আধুনিকতার শিখরে উত্তীর্ণ হচ্ছে ততই তার মানবিকতার অবক্ষয় ঘটছে। মানুষ হয়ে উঠছে ।

আত্মকেন্দ্রিক, স্বার্থপর, সুযোগ সন্ধানী, অর্থলোভী, ক্ষমতালোভী। মনুষ্যত্ব ও বিবেকবোধ সম্পন্ন মানুষকে কবি আহ্বান জানিয়েছেন অসহায়, আর্দ্র, সহায় সম্বলহীন মানুষের পাশে এসে কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়াতে। তাই সমগ্র কবিতাটির মধ্যে দিয়ে যে ভাবটি পরিস্ফুট হয়েছে যেকোনো পরিস্থিতিতে, তা হলো মানুষ যেন যেকোনো পরিস্থিতি তে যেকোনোভাবে প্রতিটি মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।


২.২. 'রমেশ বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হইয়া গেল।' – রমেশের বিস্ময়ের কারণ কী?


উত্তর - উদ্ধৃত অংশটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা 'পল্লীসমাজ' পাঠ্যাংশ থেকে গৃহীত হয়েছে।


গল্প অবলম্বনে আমরা জানতে পারি রমেশ রমার কাছে বাঁধ কাটার প্রস্তাব নিয়ে উপস্থিত হয়। কারন ওই বাঁধ না কাটলে গ্রামের ১০০ বিঘের ধান নষ্ট হয়ে যাবে। তাই বাঁধ কাটতেই হবে। রমেশ আশা করেছিল যে রমা বাঁধ কাটার অনুমতি দেবে। তবে একা বেনীর আপত্তিতে আর কোন কাজ হবে না। কিন্তু রমাকে বিষয়টি জানাতেই সে প্রথমে মাছের বন্দোবস্তের কথা জিজ্ঞেস করে।


তখন রমেশ জানায় যে অত জলে মাছের বন্দোবস্ত করা সম্ভব নয়। এই সামান্য ক্ষতি টুকু মেনে নিতে অনুরোধ জানালেন রমা সুজাসুজি জানিয়ে দেয় অতগুলো টাকা সে লোকসান করতে পারবে না। এমত অবস্থায় রমেশের পূর্ব ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হলে আশা ভঙ্গ হয়ে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে।


২.৩. ‘আমি নেমে পড়লুম তাড়াতাড়ি। কথক কোথা থেকে কেন নেমে পড়েছিলেন?

উত্তর - প্রশ্নে উদ্ধৃত পংক্তি টি অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের লেখা ছন্নছাড়া কবিতা থেকেগৃহীত। কবিতা অবলম্বনে আমরা দেখতে পাই একটি বেওয়ারিশ ভিখারি গাড়িচাপা পড়ায় একদল ছন্নছাড়া বেকার যুবক ফাকা ট্যাক্সি খুঁজছিল তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে বলে। এমন সময় কথক তথা কবি সহানুভূতিশীল মনের

২.৪. জীবনের ধর্ম 'গাছের কথা রচনায় কীভাবে ব্যক্ত হয়েছে?

উত্তর - পরিচয় দিয়ে তাদের গাড়িতে লিফট দিতে চায়। তারপর ওই যুবকেরা রক্ত মাংসের দলা পাকিয়ে যাওয়া ভিখারীর শরীরটিকে পাজাকোলা করে তুলে নিয়ে ট্যাক্সিতে উঠায়। ঠিক তখনই কবি তথা কথক সেই ডিখারীর দেহের রক্তের দাগ থেকে নিজের ভদ্রতা ও শালীনতা কে বাঁচানোর জন্য তাড়াতাড়ি গাড়ি থেকে নেমে পড়েছিলেন।

২.৪. জীবনের ধর্ম 'গাছের কথা' রচনায় কীভাবে ব্যক্ত হয়েছে?

উত্তর - আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রচিত “গাছের কথা” প্রবন্ধ। এই প্রবন্ধে তিনি গাছের জীবন ধর্মের আলোচনা প্রসঙ্গে জীবনের স্বাভাবিক ও সাধারণ ধর্ম সম্পর্কে সুনিশ্চিত মতামত দিয়েছেন। তার মতে গতি এবং বৃদ্ধি হল জীবনের ধর্ম। এই ধর্ম যেমন মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়, তেমনি দেখা যায় উদ্ভিদের মধ্যেও।


পাখির ডিমের মধ্যে জীবন যেমন সুপ্ত থাকে, তেমনই গাছের জীবন সুপ্ত থাকে বীজের মধ্যে উত্তাপ, জল ও মাটির সংস্পর্শে বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম হয় এবং তা থেকে যথাসময়ে চারাগাছ বৃদ্ধি পেয়ে বনস্পতি তে পরিণত হয়। অনুরূপভাবে মানব জীবনে উপযুক্ত পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। একটি সবুজ প্রাঞ্জল গাছের সাথে একটি শুকনো ডালের অনেক তফাৎ আছে। একটি ক্রমাগত বেড়ে চলেছে, অন্যটির গতি স্তব্ধ। এর মধ্যে দিয়ে লেখক জীবনের গতিশীলতার ধর্মকে প্রকাশ করেছেন।


২.৫. 'কী করে বুঝব, আসলে কী করতে হবে? — উদ্ধৃতিটির আলোকে 'বুকু' চরিত্রটির অসহায়তার স্বরূপ উদ্ঘাটন করো।


উত্তর - আশাপূর্ণা দেবী রচিত “কি করে বুঝবো” গল্পটিতে ৬ বছরের ছেলে বুকু অতিথিদের সামনে তার মায়ের নানান কথা ফাস করে দিয়ে তার মা-বাবাকে অপদস্ত করেছিল। কারণ বাড়িতে অতিথি এলে তাদের সাথে কেমন ব্যবহার করতে হয় তা সম্পর্কে বুকুর কোন ধারণা ছিল না। অতিথিদের সামনে বুকুর এহেন ব্যবহারে তার বাবা-মার সম্মান নষ্ট হয়। তাই তারা তখন তাকে মেরে তক্তা করা উচিত বলে মনে করে। মার খেতে খেতে শেষ পর্যন্ত বুকু তার এই আচরণের। কারণ জানিয়েছে।


তখন বোঝা গেল যে সে আসলে মায়ের উপদেশই মান্য করেছিল। মা তাকে বলেছিলেন সর্বদা সত্যি কথা বলতে এবং কারোর কাছে কিছু না লুকাতে। অথচ সেই কাজটাই করেছে বলেই তার বাবা-মা তার ওপর রেগে গিয়েছেন। তাই বুকুর অসহায় প্রশ্ন "কী করে বুঝবো, আসলে কী করতে হবে?" গল্পের বুকে চরিত্রটি সত্যিই অসহায়।


২.৬. আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প – গল্পটি বিবৃত করো।


উত্তর - প্রশ্নে উদ্ধৃত লাইনটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা “নাটোরের কথা” গদ্যাংশ থেকে নেওয়া।


গল্পটি হলো, নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রভিন্সিয়াল কনফারেন্সে বাংলা ভাষার প্রচলন। লেখক শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তার কাকা রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্যদের সঙ্গে গিয়েছিলেন নাটোরে। সে এক হৈ হৈ রৈ রৈ ব্যাপার নাটোরের মহারাজের সুবন্দোবস্তে সমগ্র যাত্রাপথে লেখকদের খাওয়া দাওয়া জিনিসপত্র বহন, দেখাশোনার কাজ এ কোন ত্রুটি ছিল না সব-ই মহারাজের নিযুক্ত লোকেরা করত।


এই সম্মেলনের অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন নাটোরের মহারাজ। তারপর যথারীতি শুরু হলো গোলটেবিল বৈঠক এবং বক্তৃতা। ইংরেজিতে যেই বক্তৃতা শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গে লেখক তথা অবনীন্দ্রনাথ ও তার সঙ্গীরা 'বাংলা বাংলা' বলে প্রতিবাদ শুরু করেন। এরপর কেউ আর ইংরেজিতে বক্তৃতা করতে পারেননি। এমনকি ইংরেজি দুরস্ত লালমোহন ঘোষও শেষ পর্যন্ত বাংলায় বলতে বাধ্য হন। এটি লেখোকের মনে রাখার মতোই ঘটনা। এভাবেই কনফারেন্সে বাংলা ভাষা চালু হয়। এভাবেই সর্বপ্রথম পাবলিকলি অর্থাৎ জনসমক্ষে বাংলা ভাষার অগ্রগতির সূচনা হলো।


৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:

৩.১. নির্দেশক বা বিবৃতিমূলক বাক্যের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর -
একটি নির্দেশক মূলক বাক্যের উদাহরণ হল এবার আমি কলেজ যাচ্ছি।

৩.২. শূন্যস্থান পূরণ করো :

উত্তর - আবেগসুচক বাক্য

আনন্দ - তুমি যে ফাস্ট হয়েছো তাতে আমি আজ আমি বিষণ খুশি ।

বিস্ময় - কি অপূর্ব চিত্র ।

উচ্ছ্বাস - স্নেহে আমার হৃদয় গলে যাচ্ছে ।

ঘৃনা - ছি একি করলে তুমি ।

৩.৩. উদাহরণ দাও

উত্তর -

ক্রিয়াবাচক বিশেষ্যখেলা
সাপেক্ষ বাচক সর্বনামযে কৃষ্ণ সেই শ্যাম
সর্বনামের বিশেষণমূর্খ
আলংকারিক অব্যয়গরীবের আবার রাত দিন
অসমাপিকা ক্রিয়াআমি বই পড়ি


৩.৪. ‘কাচা’ ও ‘বসা’ শব্দদুটিকে পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহার করে বাক্য রচনা করো।


উত্তর - কাচাঃ

(ক) তুমি পড়াশোনাতে খুবই কাঁচা (অপটু অর্থে)

(খ) আজ কাঁচা আম কিনে আনলাম (অপক্কতা অর্থে)

(গ) তুমি বড় কাঁচা কাজ করেছো (অদক্ষতা অর্থে)

(ঘ) তোমার এখন কাঁচা বয়স (অল্প অর্থে)

(ঙ) তোমার কাঁচা হলুদ শাড়ি টা পড়ে যেয়ো (মৃদুতা অর্থে)

৪. বন্যার প্রকোপে গ্রামের বহু কৃষিজমি নদীর গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংবাদপত্রের সম্পাদকের কাছে একটি চিঠি লেখো।


উত্তর -               মাননীয় সম্পাদক মহাশয়,
                              বর্তমান পত্রিকা
                                        পোঃ
                                      জেলাঃ


সবিনয় নিবেদন,

আমি --- অঞ্চলের বাসিন্দা। প্রতি বছর - , প্রতি বছর বন্যার প্রকোপে এই অঞ্চল জলমগ্ন হয়। কিন্তু তাই নয় বন্যার প্রকোপে গ্রামের বহু কৃষিজমি নদীর গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে, গৃহহীন ও সম্পদহীন হয়ে যাচ্ছে হার্জার হাজার কৃষক।


এই প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। নদীর তীরবর্তী এলাকায় যেখানে পাড় সহজেই ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা আছে সেখানে বাঁধ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিকারী ও এলাকার মানুষের উদ্যোগে বেশী করে গাছ লাগাতে হবে এবং ক্ষয়প্রবণ অঞ্চল থেকে বসতি সরিয়ে আনতে হবে নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ গ্রহণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় জনগুরুত্বপূর্ণ পত্রটি প্রকাশ করলে বিশেষভাবে বাধিত হব।


বিনীত

রাজেশ মণ্ডল



স্থানঃ
তারিখঃ ১২.০৯.২০২১

Post a Comment